নারায়ণগঞ্জ, জুন ১২.... হরতাল আহ্বানকারী বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের রাজপথে নামতে না দিলেও নারায়ণগঞ্জে মিছিল করেছে সরকার সমর্থকরা। পুলিশ বলেছে, 'শান্তিমিছিল' বলেই তারা বাধা দেয়নি, যদিও ওই মিছিলের নেতৃত্বে ছিলো পুলিশেরই তালিকাভুক্ত এক সন্ত্রাসী।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের পরিকল্পনার প্রতিবাদে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর ডাকে রোববার দিনব্যাপী হরতাল চলছে।
হরতালে নারায়ণগঞ্জ শহরে বেশিরভাগ দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। তবে বঙ্গবন্ধু সড়কের উভয় পাশের বিভিন্ন মার্কেট খোলা রাখতে সরকার সমর্থকরা ব্যবসায়ীদের বাধ্য করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
হরতালে গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকলেও ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক। শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে মোতায়েন রয়েছে পুলিশ। দুপুর পর্যন্ত বড় ধরনের গোলযোগের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
ভোর থেকেই বিপুল সংখ্যক পুলিশ শহরের বঙ্গবন্ধু সড়কের ডিআইটি বাণিজ্যিক এলাকায় জেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেয় এবং র্যাব সদস্যরা টহল দিতে থাকে।
পুলিশের কঠোর অবস্থানের কারণে শহর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামাল ও কয়েকজন নেতাকর্মী ছাড়া কেউ দলীয় কার্যালয়ে ভিড়তে পারেনি। সকাল সাড়ে ৮টায় তারা কার্যালয়ের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ করে।
সকাল ১০টায় জেলা যুবলীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক, পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী জহিরুল ইসলাম ভূঁইয়া পারভেজ এবং জেলা যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক শাহ্ নিজামের নেতৃত্বে হরতালবিরোধী মিছিল বের হয়।
মিছিলটি শহরের চাষাঢ়া হয়ে বঙ্গবন্ধু সড়ক ঘুরে। ওই সময় মিছিলকারীরা দোকান মালিকদের দোকান খোলা রাখতে চাপ দেয় বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেক দোকানি অভিযোগ করেন। এরপর কয়েকটি দোকান খোলে। মিছিলটি পরে মণ্ডলপাড়া হয়ে চাষাঢ়ায় গিয়ে মিছিলটি শেষ হয়।
বিএনপির নেতাকর্মীদের বাধা দেওয়া হলেও অন্য মিছিলে বাধা না দেওয়ার বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি আকতার হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, "সরকারদলীয় লোকজন শান্তির মিছিল করেছে। তাই তাদের বাধা দেওয়া হয়নি। বিএনপি নেতাকর্মীদের মিছিল শান্তির বিপক্ষে। তারা মিছিল করলে জনসাধারণের নিরাপত্তা বিঘিœত হবে।"
র্যাব ও পুলিশের ব্যাপক উপস্থিতির মধ্যে মিছিলে তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসীর অবস্থানের বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তা এড়িয়ে যান ওসি।
শহর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামাল সাংবাদিকদের বলেন, "বিএনপির কোনো নেতাকর্মীকে রাস্তায় নামতে দেয়নি পুলিশ। তাদের দলীয় কার্যালয়ে আসতেও বাধা দেওয়া হয়েছে। অথচ সন্ত্রাসীরা র্যাব ও পুলিশ পাহারায় মিছিল করেছে।"
শহরের মিশনপাড়া এলাকায় জেলা জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ও পুলিশ অবরুদ্ধ করে রাখায় তারা মিছিল করতে পারেনি।
হরতালের মধ্যে বাস টার্মিনাল থেকে কয়েকটি বাস ছাড়লেও যাত্রী ছিলো নগন্য। ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডে চাষাঢ়ায় এরিবস ইন্ট্যারন্যাশনাল স্কুলের সামনে পিকেটাররা রাস্তায় আগুন ধরিয়ে অবরোধ করলে পুলিশ তাদের হটিয়ে দেয়।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের পরিকল্পনার প্রতিবাদে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর ডাকে রোববার দিনব্যাপী হরতাল চলছে।
হরতালে নারায়ণগঞ্জ শহরে বেশিরভাগ দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। তবে বঙ্গবন্ধু সড়কের উভয় পাশের বিভিন্ন মার্কেট খোলা রাখতে সরকার সমর্থকরা ব্যবসায়ীদের বাধ্য করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
হরতালে গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকলেও ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক। শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে মোতায়েন রয়েছে পুলিশ। দুপুর পর্যন্ত বড় ধরনের গোলযোগের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
ভোর থেকেই বিপুল সংখ্যক পুলিশ শহরের বঙ্গবন্ধু সড়কের ডিআইটি বাণিজ্যিক এলাকায় জেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেয় এবং র্যাব সদস্যরা টহল দিতে থাকে।
পুলিশের কঠোর অবস্থানের কারণে শহর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামাল ও কয়েকজন নেতাকর্মী ছাড়া কেউ দলীয় কার্যালয়ে ভিড়তে পারেনি। সকাল সাড়ে ৮টায় তারা কার্যালয়ের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ করে।
সকাল ১০টায় জেলা যুবলীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক, পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী জহিরুল ইসলাম ভূঁইয়া পারভেজ এবং জেলা যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক শাহ্ নিজামের নেতৃত্বে হরতালবিরোধী মিছিল বের হয়।
মিছিলটি শহরের চাষাঢ়া হয়ে বঙ্গবন্ধু সড়ক ঘুরে। ওই সময় মিছিলকারীরা দোকান মালিকদের দোকান খোলা রাখতে চাপ দেয় বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেক দোকানি অভিযোগ করেন। এরপর কয়েকটি দোকান খোলে। মিছিলটি পরে মণ্ডলপাড়া হয়ে চাষাঢ়ায় গিয়ে মিছিলটি শেষ হয়।
বিএনপির নেতাকর্মীদের বাধা দেওয়া হলেও অন্য মিছিলে বাধা না দেওয়ার বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি আকতার হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, "সরকারদলীয় লোকজন শান্তির মিছিল করেছে। তাই তাদের বাধা দেওয়া হয়নি। বিএনপি নেতাকর্মীদের মিছিল শান্তির বিপক্ষে। তারা মিছিল করলে জনসাধারণের নিরাপত্তা বিঘিœত হবে।"
র্যাব ও পুলিশের ব্যাপক উপস্থিতির মধ্যে মিছিলে তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসীর অবস্থানের বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তা এড়িয়ে যান ওসি।
শহর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামাল সাংবাদিকদের বলেন, "বিএনপির কোনো নেতাকর্মীকে রাস্তায় নামতে দেয়নি পুলিশ। তাদের দলীয় কার্যালয়ে আসতেও বাধা দেওয়া হয়েছে। অথচ সন্ত্রাসীরা র্যাব ও পুলিশ পাহারায় মিছিল করেছে।"
শহরের মিশনপাড়া এলাকায় জেলা জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ও পুলিশ অবরুদ্ধ করে রাখায় তারা মিছিল করতে পারেনি।
হরতালের মধ্যে বাস টার্মিনাল থেকে কয়েকটি বাস ছাড়লেও যাত্রী ছিলো নগন্য। ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডে চাষাঢ়ায় এরিবস ইন্ট্যারন্যাশনাল স্কুলের সামনে পিকেটাররা রাস্তায় আগুন ধরিয়ে অবরোধ করলে পুলিশ তাদের হটিয়ে দেয়।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন