এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শুক্রবার, ৬ জানুয়ারি, ২০১২

২০১১ বহুমাত্রিক অপরাধ নিয়ে শোরগোল সারা বছর

পরিসংখ্যানগত ফারাক বেশি না হলেও কয়েকটি আলোচিত অপরাধের কারণে ২০১১ সালে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে চলেছে বিস্তর শোরগোলএমনকি রাজনৈতিক আন্দোলন ও ইস্যু তৈরির ক্ষেত্র হয়েছিল নানা ধরনের অঘটনবড় ধরনের সহিংসতা না থাকলেও এ বছর বিচ্ছিন্ন অনেক ঘটনাতেই মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছেঅপরাধমূলক ঘটনার সুবাদে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি বিব্রত হয়েছে সরকার
চলতি বছরের শেষার্ধে গুপ্তহত্যা বিতর্ক প্রশ্নবিদ্ধ করে তোলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকেবিভিন্ন স্থান থেকে সাদা পোশাকধারীদের হাতে আটক প্রায় ১০০ জনের খোঁজ মেলেনি বলে পরিবারগুলো থেকে অভিযোগ ওঠেরাজধানী ঢাকাতেই চলতি বছর নিখোঁজ হয়েছেন ৩০ জনএ পর্যন্ত ১৬ জনের লাশ নদী ও জঙ্গল থেকে উদ্ধার করা হয়েছেএ ছাড়া মানবাধিকার সংগঠনগুলোর তথ্য অনুযায়ী চলতি বছর নভেম্বর পর্যন্ত সারা দেশে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন ৭৮ জনহত্যার পাশাপাশি পুলিশের কর্মকাণ্ডও অনেক আলোচনার জন্ম দেয়হরতাল চলাকালে জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুকের ওপর পুলিশের নির্মম নির্যাতন ও মতিঝিলে জামায়াতের এক কর্মীকে পদপিষ্ট করার ঘটনায় নিন্দার ঝড় বয়ে যায়এ ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবদুল কাদেরকে খিলগাঁও থানায় নির্যাতন, র‌্যাবের গুলিতে ঝালকাঠিতে লিমনের পঙ্গুত্ব আলোচনার জন্ম দেয়শবেবরাতের রাতে সাভারের আমিনবাজারে পুলিশের মদদে ছয় ছাত্রকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করার ঘটনাও দীর্ঘদিন আলোচনায় ছিল
সব ছাপিয়ে নরসিংদীর নির্বাচিত জনপ্রিয় মেয়র লোকমান হোসেনকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার ঘটনা আলোচনার শীর্ষে উঠে আসেমানবাধিকার সংগঠনগুলোর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছর ১১ মাসে খুনসহ ডাকাতি, চুরি, ছিনতাই, অপহরণ, নারী নির্যাতন, মাদক কেনাবেচাসহ এক লাখ ৩৭ হাজার অপরাধমূলক ঘটনা ঘটেছে
এদিকে ঢাকা মহানগর পুলিশের বার্ষিক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, গত বছর ২৫৮ জন খুনের ঘটনার শিকার হয়েছেএদের মধ্যে ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক নেতা, শিক্ষার্থী, শিশু ও নারী রয়েছেডাকাতির ঘটনা ৪০টি, দস্যুতা ২৩২টি, ১৮৯১টি চুরি, অপহরণের শিকার ১০৯ জন, নারী-শিশু নির্যাতন ১৪১১ জন, ধর্ষণের শিকার ২০৫ জন, এসিডে আক্রান্ত ছয়জনএ ছাড়া গত বছর ৯টি বড় ধরনের দাঙ্গা-হাঙ্গামার ঘটনায় ১৩০ পুলিশ আক্রান্ত হনসব মিলে গত বছরে রাজধানীর বিভিন্ন থানাতেই ২১ হাজার ৩৬০টি মামলা হয়েছে
চলতি বছর রাজধানীর আলোচিত হত্যা ঘটনার মধ্যে ছিল যশোরের বিএনপি নেতা নাজমুল ইসলামকে অপহরণের পর হত্যা, মিরপুরে অন্ধ কল্যাণ সংস্থার মহাসচিব খলিলুর রহমান, ফার্মগেটের ইন্দিরা রোডে মা ভার্জিনিয়া রোজারিও ও ছেলে ভ্যালেন্টাইন রোজারিওকে হত্যা, পুরান ঢাকায় স্বর্ণ ব্যবসায়ী আবুল কালাম, মতিঝিলে যুবদল নেতা শহীদ মোল্লাকে, শ্যামপুরে মুক্তিযোদ্ধা ও স্থানীয় আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা মোহাম্মদ উল্লাহ ও তাঁর গাড়ি চালক হারুনুর রশিদ, শাহবাগে গৃহবধূ কামরুন্নাহার সাদিয়া, পল্লবীতে স্কুলছাত্র শাওন হত্যাসহ বেশ কিছু ঘটনা
অপরাধমূলক ঘটনার পাশাপাশি রাজনৈতিক ও সামাজিক ইস্যুতে বেশ কিছু সহিংসতা উত্তাপ ছড়িয়েছে সারা দেশেপ্রধান বিরোধী দল বিএনপির ডাকা মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আগে রাজধানীতে চলতি মাসেই ঘটেছে সহিংসতা ও তাণ্ডবগোয়েন্দাদের পূর্ব আভাস সত্ত্বেও এ সংঘর্ষ ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড রুখতে পুলিশকে বেশ বেগ পেতে হয়েছেএর আগে শিবিরের কর্মীরা একবার আকস্মিক হামলায় নাস্তানাবুদ করেছে পুলিশকেসে সময়ও যানবাহন ভাঙচুর, অগি্নসংযোগ ও বোমাবাজির ঘটনা সাধারণ মানুষকে ভীতসন্ত্রস্ত করে তোলেনিষিদ্ধ-ঘোষিত রাজনৈতিক সংগঠন হিযবুত তাহরীরের কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে বেশ কয়েক দফাঢাকা ও চট্টগ্রামে এ সংগঠনের শো-ডাউন মোকাবিলা করতে গিয়ে লাঠিপেটা ও টিয়ার শেল ব্যবহার করতে হয়েছে পুলিশকেবছরের শুরুতে বিমানবন্দর নির্মাণের জমি অধিগ্রহণকে কেন্দ্র করে মুন্সীগঞ্জের আড়িয়ল বিলে পুলিশ-জনতার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেআড়িয়ল বিলে বিমানবন্দর নির্মাণের প্রতিবাদে ৩১ জানুয়ারি ঢাকার নবাবগঞ্জ, দোহার, মুন্সীগঞ্জের বিভিন্ন এলাকার হাজার হাজার মানুষ ঢাকা- মাওয়া মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করতে থাকেপুলিশ হত্যা, অগি্নসংযোগসহ নানা ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতিপরে সরকার সহিংসতা সামাল দিতে বিমানবন্দর নির্মাণের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে
হত্যা, ডাকাতি, ছিনতাই, সংঘর্ষসহ নানা অপরাধমূলক ঘটনাকে ছাপিয়ে চলতি বছর আকস্মিক আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয় 'গুপ্তহত্যা'এ নিয়ে সাধারণ মানুষের উদ্বেগ ও আতঙ্ককে বাড়িয়ে দেয় রাজনৈতিক প্রলেপপ্রতিটি নিখোঁজ ঘটনাকেই গুপ্তহত্যার সন্দেহের মোড়কে জড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন মহল থেকে দায়ী করা হতে থাকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকেপুলিশ ও র‌্যাবকে ইঙ্গিত করে রাজনৈতিক মহল থেকে বলা হতে থাকে ক্রসফায়ারের অপবাদ না নিতে বিকল্প হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে গুপ্তহত্যার পদ্ধতিসরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এসব গুপ্তহত্যায় নিজেদের সংশ্লিষ্টতা ও দায় এড়িয়ে বক্তব্য দিলেও বিতর্ক এখনো অব্যাহত
চলতি বছরে সারা দেশে শতাধিক নিখোঁজ ঘটনার কিনারা করতে না পেরে পুলিশ ও র‌্যাব এ বিতর্ক থেকে নিজেদের বের করে আনতে পারছে নাএকই সঙ্গে গুপ্তহত্যার ঘটনাগুলোতে জড়িতদের শনাক্ত করতেও তারা ব্যর্থ হয়েছেনিখোঁজ পরিবারগুলোর অধিকাংশেরই অভিযোগ, কোথাও কেউ অপহৃত হলে বা কারো খোঁজ পাওয়া না গেলে তারা পুলিশ বা র‌্যাবের কাছে গিয়ে কোনো সহযোগিতা পায় নাতাতেই সন্দেহ বেড়ে যায়
পুলিশের মহাপরিদর্শক হাসান মাহমুদ খন্দকার এ প্রসঙ্গে বলেছেন, বিচ্ছিন্নভাবে কোথাও কিছু ঘটে থাকতে পারেঢালাওভাবে অভিযোগ আনা ঠিক নয়
র‌্যাবের গোয়েন্দা উইংসের প্রধান জিয়াউল আহসান কালের কণ্ঠকে বলেন, বিশেষ উদ্দেশ্যকে সামনে রেখেই একটি মহল এ ধরনের ঘটনা ঘটাচ্ছেচলতি বছর দেশে অপহরণের ঘটনা ঘটেছে ৯৬৪টিনিখোঁজ হয়েছে ১০৪ জনফলে এর সংখ্যা দাঁড়ায় ১০৬৮-তেএর মধ্যে উদ্ধার হয়েছে ৪৩২ জনসর্বশেষ ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্তই অপহরণ আর নিখোঁজের সংখ্যা ৭৩ জনউদ্ধার হয়েছে ১৮ জনগুপ্তহত্যার রহস্য উদঘাটনে র‌্যাব কাজ করছেতদন্তে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো সদস্যের সংশ্লিষ্টতা পেলে তারাও কোনোভাবে ছাড় পাবে না
পারিবারিক ও পুলিশ সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি আগারগাঁও বিএনপি বস্তির নুর মোহাম্মদসহ তাঁর এক আত্মীয়ও নিখোঁজ হয়েছেনএখন পর্যন্ত তাঁরা উদ্ধার হননিচলতি মাসে শুধু মুন্সীগঞ্জের ধলেশ্বরী নদী ও আশপাশ এলাকা থেকে আটটি লাশ উদ্ধার হয়এদের মধ্যে ছয়জনের কোনো পরিচয় মেলেনিপরিচয় পাওয়া দুজন হচ্ছেন ঢাকার ৫০ নম্বর ওয়ার্ডের যুবদল নেতা ইসমাইল এবং শরীয়তপুরের মঞ্জুর মুন্সীগত ১৩ জুলাই নারায়ণগঞ্জ থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য পরিচয়ে জামাল নামে এক ব্যক্তিকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়এ সময় জামালের পরিবারের পক্ষ থেকে র‌্যাবের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়এরপর ১৮ জুলাই জামালের লাশ উদ্ধার হয়এই ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয় চারজনকে, যারা সবাই হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ স্বীকার করে
গত ২২ ডিসেম্বর রাজধানীর খিলগাঁও এলাকা থেকে অপহৃত হন রেন্ট-এ কার ব্যবসায়ী হুমায়ুন কবীরগতকাল পর্যন্ত তাঁর সন্ধান মেলেনি১৯ ও ২০ ডিসেম্বর দুদিনে মানিকগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ এবং নোয়াখালীতে তিন ব্যক্তি গুপ্তহত্যার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ মিলেছেএর আগে ১১ ডিসেম্বর রাজধানীর পাশে ধামরাই-কালিয়াকৈর সড়কের কালভার্টের নিচ থেকে মো. লিপন (৪০) নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ১২ ডিসেম্বর মুন্সীগঞ্জের ধলেশ্বরী নদীতে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় তিন ব্যক্তির লাশ উদ্ধার হয়এদিন রাজধানীর শেরে বাংলানগর জাহানারা গার্ডেনের ১৩১ নম্বর বাড়ি থেকে অজ্ঞাতপরিচয় যুবকের হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার হয়১৪ ডিসেম্বর খুলনার খানজাহান এলাকা থেকে উদ্ধার হয় চরমপন্থী নেতা নিয়ামুলের লাশ১৫ ডিসেম্বর রাজশাহীর পুঠিয়ার জায়গীরপাড়া বিল থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক পুরুষ ও মহিলার লাশ, কোম্পানীগঞ্জের বিএনপি নেতা আবদুল ওহাবের (৭০) লাশ, ভাঙ্গায় মানু ফকিরের লাশ এবং আশুলিয়ায় অজ্ঞাতপরিচয় আরো এক যুবকের লাশগত ২৮ নভেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের ছাত্র ও সূর্যসেন হল শাখা ছাত্রদলের সাহিত্য ও গবেষণা সম্পাদক শামীম হাসান ওরফে সোহেল, ঢাকা মহানগর ৫০ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ইসমাইল হোসেনকে হাতিরপুল এলাকা থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয়ে অপহরণ করা হয়পরে ৮ ডিসেম্বর মুন্সীগঞ্জের ধলেশ্বরী নদীতে ভেসে ওঠা দুটি লাশের মধ্যে একটি ইসমাইল হোসেনের বলে শনাক্ত করেছেু তাঁর স্বজনরাসোহেল ও মাসুম এখনো নিখোঁজ রয়েছেন৭ ডিসেম্বর নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের সানারপাড় এলাকার বাসিন্দা ইউনুস মুন্সী, তাঁর ভাই মঞ্জু মুন্সী, তাঁদের মামাতো ভাই শেখেন মাতবর ও তাঁদের এক ব্যবসায়িক পার্টনার কুমিল্লার দাউদকান্দি এলাকা থেকে নিখোঁজ হন৩ ডিসেম্বর সন্ধ্যার পর শেরে বাংলানগর থানার পশ্চিম আগারগাঁও শাপলা হাউজিং এলাকা থেকে নিখোঁজ হাজি নূর মোহাম্মদের মেয়েজামাই আবদুল মান্নান ও তাঁর বন্ধু ইকবাল হোসেন অপহৃত হন১ ডিসেম্বর রাজধানীর ফার্মগেট এলাকা থেকে জাতীয় পার্টির নেতা মাহমুদুল হক খান অপহৃত হনপরের দিন ২ ডিসেম্বর সকালে ধামরাইয়ের বাথুলিতে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়৬ ডিসেম্বর ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার আজিমনগর ইউনিয়নের মালিগ্রামের কাইয়ুমসহ পাঁচজন অপহৃত হয়েছেন২ নভেম্বর রাজধানীর মগবাজার এলাকা থেকে নিখোঁজ হন রিয়াজুল ইসলাম (৩০)২৬ নভেম্বর মৌলভীবাজার পূর্ব সুলতানপুর (কাজীরগাঁও) থেকে নিখোঁজ হন ১৫ বছরের কিশোর বেলাল আহমেদ রোমান২৪ নভেম্বর নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানার চুনাগুড়া গ্রাম থেকে নিখোঁজ হয়েছিলেনগত ২৯ সেপ্টেম্বর রাজধানীর পুরানা পল্টন লাইনের বাসার নিচ থেকে অপহৃত হন ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সহসভাপতি কে এম শামীম আকতার৩১ জুলাই ডিবি পুলিশ পরিচয়ে অস্ত্রধারীরা রাজধানীর দয়াগঞ্জ বাজার মোড় থেকে ধরে নিয়ে যায় জুয়েল সরদার, তাঁর চাচাতো ভাই রাজীব সরদার ও মিজানুর রহমান নামে ওয়ার্কশপকর্মীকে৫ আগস্ট জুয়েল ও মিজানের লাশ পাওয়া যায় গাজীপুরের পুবাইল এলাকার ঢাকা বাইপাস সড়কের নাগদা সেতুর ঢালেএকই দিন রাজীব সরদারের লাশ মেলে ঢাকা-মাওয়া সড়কের পাশ থেকে২ অক্টোবর মিরপুর থেকে নিখোঁজ হন আওয়ামী লীগ নেতা ও ঝুট ব্যবসায়ী আবদুল করিম হাওলাদার৬ জুলাই নিখোঁজ হয়েছেন মোরেলগঞ্জ হাটের মো. হাবিবুর রহমান৪ জুলাই রাজধানী সুপার মার্কেটের সামনে থেকে সজল ও ইমরান নামের দুই যুবক নিখোঁজ হনপরে ১২ জুলাই ঢাকা বাইপাস সড়কের পাশ থেকে সজল ও ১৩ জুলাই ঢাকা-মাওয়া সড়কের পাশ থেকে ইমরানের লাশ উদ্ধার করা হয়এ রকম লাশ উদ্ধার ও নিখোঁজের ঘটনা আতঙ্ক ছড়িয়েছে সর্বত্রবছরের অপরাধ আলোচনায় সে কারণেই শীর্ষে পেঁৗছেছিল 'গুপ্তহত্যা' চলবে........................  

শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১১

আসাম ম্যাচাকারঃ ১৯৮৩ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারী অজানা এক ইতিহাসের নাম। মাত্র ৬ ঘন্টায় ৫০০০ বাংলাদেশী হত্যা !!

আসাম ম্যাচাকারঃ ১৯৮৩ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারী অজানা এক ইতিহাসের নাম। মাত্র ৬ ঘন্টায় ৫০০০ বাংলাদেশী হত্যা !!

by Blood Soldier (রক্ত সৈনিক) on Friday, December 9, 2011 at 4:02pm


বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে আসামের ব্রaমপুত্র নদের অববাহিকায় বাংলাদেশ থেকে আসা মানুষদের এক জনপথ গড়ে উঠে। এ অভিবাসী নতুন না। দেশ বিভাগের আগে এ উপমহাদেশে এটা হয়ে এসেছে বারবার। কখনো বাংলাদেশ থেকে ইন্ডিয়ায়, কখনো ইন্ডিয়া থেকে বাংলাদেশে বা পাকিস্তান থেকে ইন্ডিয়াতে অথবা ইন্ডিয়া থেকে পাকিস্তানে অভিবাসি হয়ে এসেছেন অনেকজন।ভারতের জ্যোতি বসু, সুচিত্রা সেন, সমরেশ মজুমদার, পাকিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট মোশারফ, বাংলাদেশের সাবেক প্রেসিডেন্ট এরশাদ মাইগ্রেট করে আসার অন্যতম উদাহরণ। সেই একই ধারাবাহিকতার ব্রমপুত্র নদের অববাহিকায় আবাস গড়ে উঠে কয়েক হাজার বাংলাদেশীর। যারা আসামে অনেকদিন ধরেই বসবাস করে আসছিলেন। 
১৯৭৯ সালের শুরুর দিকে, আসামে নির্বাচন কমিশন ৪৫ হাজার বিদেশী ভোটারকে ভোটের অধিকার দেন । ঘটনার শুরুটা এখানেই। অল আসাম স্টুডেন্ট ফোরাম ঘোষণা করে বিদেশীদের ভোটার হিসাবে এদের অন্তর্ভুক্ত করলে আসামে রক্তের হলী খেলা বয়ে দেয়া হবে। শুরু হয় বাংলাদেশী খেদাও আন্দোলন। সাথে যোগ দেয় আরও কিছু রাজনৈতিক সংগঠন। গঠন হয় All Assam Gana Sangram Parishad (AGSP)।AGSP বাংলাদেশী খেদাও আন্দোলনে ১৯৭৯ থেকে ১৯৮২ পর্যন্ত প্রায় ৩০০ এর মত খুন দেড় হাজার এর বেশী মানুষ আহত, জ্বালাও পোড়াও সহ অনেক ঘটনা ঘটে।

কেন্দ্রীয় সরকার ১৯৮৩ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৭ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন গোষনা করেন। এ নির্বাচন আদালত পর্যন্ত গড়ায়। শেষ পর্যন্ত কংগ্রেস নেত্রী ইন্দ্রাগান্ধীর হস্তক্ষেপে নির্বাচনের আয়োজন হয়। সেই দিন থেকেই আসাম অগ্নিগর্ভ ধারণ করে। AGSP নির্বাচন বয়কটের ঘোষণা দেয়। কংগ্রেস সহ কিছু দল নির্বাচনের পক্ষেও মিছিল বের হয়। জনতা নির্বাচনের দাবিতে মিছিল করেন। ভোটের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য সরকারের কাছে তারা জোড় দাবিতে সোচ্ছার হন। 

সারা আসামে রিউমার ছড়ানো হয় হাজার হাজার বাংলাদেশী বাংলাদেশ থেকে এসে ভোটে অংশ নিচ্ছে। বাংলাদেশীদের শিক্ষা দেয়ার জন্য AGSP শপথ নেয়। গঠন করা হয় আলাদা আরেকটি ফোরাম। এদিকে ভোট গ্রহন চলছিলো। আসামের মরিগণ জেলার একটা অংশের কথা। সেখানে মোহাম্মাদ হোসেন নামের এক স্বতন্ত্র প্রার্থী হেমান্দ্র নারায়ণ নামের এক প্রার্থীকে হারিয়ে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন। হেমান্দ্র নারায়ণ ২৫ বছর ধরে ঐ এলাকা শাসন করে আসছিলেন। এতে করে আরো তেলে বেগুনে জ্বলে উঠা AGSP। প্রতিশোধ নেশায় পাগল হয়ে যায়। ১৯৮৩ সালের ১৮ই ফেব্রুয়ারির দিনের বেলায় মাত্র ৬ ঘণ্টায় আসামের Nellie য় হত্যা করা হয় ৫০০০ মানুষকে যার মধ্যে ৩৫০০-ই ছিল শিশু(মুসলিম)।
এ হত্যাকান্ডের এখনো একটিরও বিচার হয়নি।
 (Death count: 1,800 (official) 3,300 (unofficial)
Villages affected: 14
Cases filed: 668
Chargesheets submitted: 310
Compensation for survivors: Rs 2,000 and tin to build a house
Compensation for kin of dead: Rs 5,000)

ইতিহাসের এ নিষ্ঠুর হত্যকান্ড নিয়ে ৬৮৮ টা মামলা ফাইল হয় এর মধ্য ৩৭৮টি মামলা প্রমাণের অভাবে ক্লোজ করা হয় এবং ৩১০টি মামলা ফাইল হয় পরে আসাম এজিপি সরকার ড্রপ করেন। একটা মামলারো বিচার হয়নি এবং একজনেরও শাস্তি পায়নি।

৭৫ বছর বয়স্ক নরুজ্জাম ভুইয়া যিনি জারিরোড পুলিশ ষ্টেশনে একটি মামলা ফাইল করেন। যেটার এফ আই আর নং (FIR no 86/1983, GR number 231/1983) । ঐ ম্যাচাকারে নুরুজ্জাম ভুইয়া নিজে আহত হন এবং ভুইয়া পরিবারের ১২ জনক খুন হোন । এই হত্যা কন্ডের সাথে জড়িত ১৩ জনকে তিনি চিনেন। তার এই মামলাটিও বাতিল করা হয়

আসামের Nellie ম্যচাকারের আরেকজন সারভাইভার নবি হোসেনের সাক্ষাৎকার দেখুন ইউটিউবে।
(http://www.youtube.com/watch?v=lwiodzxebw0)

আসামের Nellie ম্যচাকারের হত্যকান্ডের বিচারের দাবিতে ২০০৪ সালে গোহাটিতে এক সেমিনারের আয়োজন করা হয়। সেটাও তৎকালিন বিজেপি সরকার ব্যান করে।
দিনের আলোয় মাত্র ৬ ঘণ্টায় হাজার হাজার শিশুর হত্যাকান্ডের বিচারের বাণী আজ নিরবে নিভৃতে কেঁদে উঠে বাববার। ইন্ডিয়া কি কোনদিন এ হত্যাকান্ডের বিচার করবে?? ইন্ডিয়া কি দিয়ে মুছবে এ রক্তের দাগ? স্রষ্টার বিচার যে বড়ই কঠিন? হয়তো এটাই আজ আসামকে পোড়াচ্ছে!! গোটা ইন্ডিয়াকে পোড়াচ্ছে!! ইতিহাসে শিক্ষা যে বড়ই নির্মম।

shame ইন্ডিয়া shame ........

মঙ্গলবার, ১৪ জুন, ২০১১

এিক দশা!


Bmjvg I weRvZxq ms¯‹…wZ
GK_v cÖgvwbZ mZ¨ †h, Bmjvg GKwU c~Y©v½ mev½xb I cwieZ©b A‡hvM¨ Kg©gq weav‡bi bvg (Islam is the complete code of life )| c„w_ex‡Z Ggb †Kvb gZev` ev Av`k© cvIqv hv‡ebv †h gZev` gvbe Rxe‡bi mg¯— wefvM, Dc-wefvM ¸‡jv‡K Aš—fy©³ K‡i‡Q wKš‘ Bmjvg gvbe Rxe‡bi LywUbvwU me welq‡K Zvi cÖk¯— cwigÛ‡ji g‡a¨ cyivcywifv‡e ¯’vb w`‡q‡Q| ZvB †KviAvb gwR‡` Avj­vn Zvqvjv †Nvlbv K‡ib AvR Avwg †Zvgv‡`i Rb¨ †Zvgv‡`i Rxeb e¨e¯’v‡K cyb©v½u Kijvg Ges Avgvi †bqvgZ‡K †Zvgv‡`i cÖwZ c~Y© Kijvg Avi Bmjvg‡K Rxeb weavbi“‡c †Zvgv‡`i Rb¨ g‡bvbxZ Kijvg| (m~iv gv‡q`v, AvqvZ-6)
Bmjvg Zvi Av`‡k© g~jbxwZ I bxwZi †¶‡Î Ggb †Kvb Kvw•LZ welq‡K ev` †`qwb hv GKRb Ávb wccvmy I mÜvbx e¨w³‡K Bû`x wLª÷vb wKsev weRvZx †_‡K Avg`vbx Ki‡Z n‡e| KviY Bmjvg P~ovš— c~b©v½Zvi mv‡_ mg¯— Kj¨vb Ges Bn‡jŠwKK I ci‡jŠwKK DbœwZ I mg„w×i bxwZgvjv‡K GKxf~Z K‡i‡Q| ZvB cvðvZ¨ RM‡Zi we‡kl K‡i BD‡ivcxq Ávbx-¸bx‡jv‡Kiv Bmjvg mZ¨ Rxeb e¨e¯’v nIqvi ¯^xK…wZ `v‡b eva¨ n‡q‡Qb| †Kbbv Bmjvg AvMg‡bi ci Agymwjg RvZx¸‡jvi Ac~b© Av`k©, ms¯‹…wZ, Ávb I K‡g©i mg¯— w`K¸‡jv `ywbqvi gvby‡li Ava¨vwZœKZv I ˆbwZKZvi †¶‡Î ¶wZKi ev µwUgq cÖgvwbZ n‡q‡Q| Zv‡`i G ¶wZ I µwUgqZvi w`‡K j¶ K‡i ejv hvq evwZj Av`k© mg~‡ni wek¦vm, wPš—vaviv, Kg© I A_©‰bwZK weavb¸wj wZbwU ‡kªYx‡Z wef³|
(GK) Bmjvg †h me weavb‡K my¯úófv‡e evwZj K‡i‡Q Zv gvby‡li Ava¨vwZœK cÖK…wZ I MwZ avivi mv‡_ m½wZc~Y© bq| G ai‡bi weav‡bi e¨e¯’v hw` `ywbqvi i“Mœ †jvK‡`i Rb¨ Av‡ivM¨ `vbKvix Ges Zv‡`i ¯^fve cÖK…wZi AbyK~j nZ, Zvn‡j Bmjvg †m ¸‡jv evwZj K‡i bZzb e¨e¯’v Bc¯’vcb Kivi †Kvb KviY wQjbv|
(`yB) wKQy weavb‡K Bmjvg my¯úófv‡e evwZj K‡iwb wKš‘ †m¸‡jvi mvgwMÖK w`KwU hLb RvwZ‡K cwieZ©b-cwiea©b K‡i Ges RvwZi c‡¶ AwZkq ¶wZKi ZLb G¸‡jv‡Z NvUwZ I cÖe„w× nq| †Kvb wRwbm cÖe„w× I NvUwZ nIqv †mwRwbl Ac~Y© I µwUgq nIqviB cÖgvb enb K‡i| ZB G¸‡jv evwZj gg© G¸‡jvi cªK…wZ‡ZB wbwnZ i‡q‡Q|
(wZb) Avi wKQy weavb gvby‡li gbMov evbv‡bv weavb †m¸‡jv Bû`x wLª÷vb‡`i ag©RvhK I cy‡ivwnZiv A_ev Ab¨ †Kvb ag© m¤cÖ`v‡qi c_ cÖ`k©K‡`i Bev`wZ †PZbv I †gav Avwe¯‹vi K‡i RvwZi Dci Pvwc‡q w`‡q‡Q| Zviv H me weavb iPbv K‡i Zvi my k„s•Lj RvwZi Mjvq cwi‡q w`‡Q‡q| ¶wZi w`K w`‡q Zv‡`i gbMov weavb¸‡jv †ewk cÖfve m„wóKvix ZvB Bmjvg †m¸‡jv‡KI evwZj K‡i‡Q| †m iKgB Pvwc‡q †`Iqv GKwU ms¯‹…wZ nj fvjevmv w`em (f¨v‡j›UvBÝÕ †W) mvgivR¨ev`x kw³ gymwjg D¤§vn‡K PwiÎnxb Kivi Rb¨ gymwjg hye mgvR‡K wec_Mvgx Kivi Rb¨ bvbv ai‡bi Pµv‡š—i duv` †c‡Z †i‡L‡Q| wewfbœ PvKwP‡K¨i gva¨‡g Zviv hyeK‡`i wec_Mvgx Ki‡Q| we‡kl K‡i Avgv‡`i evsjv‡`‡k GK †kªYxi cÖMwZev`x Z_vKw_Z Bû`x wLª÷v‡bi `vjv‡jiv gymwjg GB †`‡k wewfbœ ai‡bi Acms¯‹…wZ Avg`vwb ïi“ K‡i‡Q| f¨v‡j›UBÝÕ†W‡K fvjevmv w`em  bv‡g Zviv cvjb ïi“ K‡i‡Q| G w`em cÖPj‡bi gva¨‡g hye mgvR‡K weevn c~e© A‰ea bi-bvixi m¤úK© ¯’vc‡bi Rb¨ DrmvwnZ Ki‡Q| GB †`k Ges Ab¨vbœ gymwjg †`k mg~‡n eQi K‡qK Av‡M G ai‡bi †Kvb w`e‡mi mv‡_ cwiwPZ wQjbv| gvbyl cvjb KiZbv f¨v‡j›UvBÝ †W ev fvjevmv w`em| m¤cÖwZ K‡qK eQi †_‡K †`Lv hvq †ek wKQy msev` cÎ, g¨MvwRb, wUwf P¨v‡bj, GB w`e‡mi mv‡_ hye mgvR‡K Lye AvMÖ‡ni mv‡_ cwiwPZ Kiv‡”Q| D‡¯‹ w`‡”Q Zviv weRvZxq ms¯‹…wZ PP©vq| cÖwZ 14B †deª“qvix iv‡Z bvwK G‡KKwU †Mvjvc dzj Pov g~‡j¨ wewµ nq| G mg¯— Acms¯‹…wZ‡Z Mv fvwm‡q Avgiv BnKvwjb myL kvwš— I ciKvwjb AR©b‡K aŸsm KiwQ|
f¨v‡j›UvBÝÕ‡W wK?
G w`e‡mi HwZnvwmK wfwË nj M‡elK I †jLK‡`i M‡elbvi Av‡jv‡K †`Lv hvq hxï wLª‡÷i (Cmv Avt) R‡b¥i Av‡M PZz_© kZ‡K †cŠËwjK, gywZ© c~Rvwi‡`i mgv‡R wewfbœ Abyôv‡b cÖPwjZ wQj| Zviv wewfbœ †`eZv‡K c~Rv KiZ Zv‡`i wewfbœ †`eZv wQj, cï-cvLxi Rb¨ GKwU †`eZv‡K Zviv Kíbv KiZ Rwg De©iZvi Rb¨ GKwU †`eZv‡K Zviv wek¦vm KiZ| G †`eZvi bvg n‡”Q ÔjycviKvwjqvÕ| G †`eZvi m¤§v‡b Zviv GKwU Abyôvb KiZ| GB Abyôv‡bi GKwU Kg©m~wP wQj †h, hyeZx‡`i bv‡g jUvix Bmy¨ Kiv| jUvix‡Z ‡h hyeZx ‡h hye‡Ki fv‡M coZ AvMvgx eQi H w`b bv Avmv ch©š— †m hyeZx‡K H hyeK †fvM KiZ| A_©v¨r jUvixi gva¨‡g hyeZx‡`i e›Ub Kiv nZ| AvMvgx eQi jUvix bv †`Iqv ch©š— hyeZx H hye‡Ki mv‡_ _vK‡e| †mw`b †`evZi bv‡g cï DrmM© I RevB Kiv nZ| R‡eK…Z cïi Pvgov Zz‡j hyeZxi Mv‡q Rwo‡q †`Iqv nZ| Zvici QvM‡ji i³ I KzKz‡ii i‡³ iwÄZ GKwU PveyK hye‡Ki nv‡Z †`Iqv nZ| hyeK †m PveyK w`‡q Pvgov cwiwnZv hyeZx‡K AvNvZ KiZ, Zviv g‡b KiZ, GB Pvey‡Ki AvNv‡Zi Kvi‡b hyeZxwU mš—vb Rb¥ †`Iqvi Dchy³ n‡e| Avi G AbyôvbwU cvjb Kiv nZ 14B †deª“qvix| Gi c‡i L„ó ag© Avwef©~Z nj| L„÷ ag© wQj ÔAvn‡j wKZv‡ei Õ ag©| Bwćji ag©| Kv‡RB G RvZxq †cŠËwjK Kz-ms¯‹vi‡K Avmgvbx ag© wn‡m‡e wLª÷vb ag© mg_©b Ki‡Z cv‡ibv| G Rb¨ Zviv GB cÖ_v I ms¯‹…wZi wei“‡× Ae¯’vb MÖnb Kij| wKš‘ Zviv G cÖ_v †iva Ki‡Z cvijbv| ZLb Zviv G Abyôvb‡K weï× Kib cÖwµqv ïi“ Kij| Zviv G wm×v‡š— DcwYZ nj ‡h, Abyôvb wVK _vK‡e, Z‡e G‡K GKUz ï× K‡i Rv‡qR Ki‡Z n‡e| GLb wKfv‡e Rv‡qR Kiv hvq? Zviv ejj †h, Av‡M wQj AbyôvbwU †`eZvi bv‡g| GLb †_‡K n‡e cv`ªxi bv‡g| hyeZxi bv‡g jUvix †`Iqv eÜ K‡i cv`ªxi bv‡g jUvix †`Iqv ïi“ Kij †h hye‡Ki fv‡M †h cv`ªxi bvg Avm‡e †m hyeK H cv`ªxi ms¯ú‡k© GK eQi AwZevwnZ Ki‡e| Gfv‡e Abyôv‡bi aiY cwieZ©b nj| Av‡M hyeZx‡K jUvixi gva¨‡g hyeK‡`i gv‡S e›Ub Kiv nZ Ges hyeK hyeZx‡K †fvM KiZ| Gevi Abyôvb‡K cweÎ Kivi Rb¨ cv`ªxi ms¯ú‡k© hyeK‡`i †`Iqv nj| hv‡Z cv`ªxi ms¯ú‡k© G‡m hyeK‡`i PwiÎ fvj nq| 476 m‡b †cvc †Rwjqvm ej‡jb w`e‡mi bvg cwieZ©b Kiv `iKvi| Av‡M wQj GKRb †`eZvi bv‡g GUv cwieZ©b K‡i Zv‡`i GKRb hvRK hvi bvg wQj f¨v‡j›UvBb Zvi m¤§v‡b w`emwU cvjb Kiv nDK| 496 Bs‡iRx‡Z GB w`e‡mi bvg KiY Kiv nj f¨v‡j›UvBÝÕ †W‡K|
f¨v‡j›UvBb †K?
cÖkœ Rv‡M f¨v‡j›UvBb †K L„÷vb‡`i BwZnv‡m cÂvk R‡bi gZ f¨v‡j›UvBb bvgK e¨w³i bvg cvIqv hvq| Z‡e `yRb f¨v‡j›UvBb AZ¨š— weL¨vZ hv‡`i bvg L„÷vb‡`i BwZnv‡m Avgiv †`L‡Z cvB GKRb f¨v‡j›UvBb m¤ú‡K© R‰bK Bmjvgx wPš—vwe` Zvi GK AvwU©‡K‡j wj‡L‡Qb, GB f¨v‡j›UvBb nj †m f¨v‡j›UvBb hv‡K †ivgvb ivRv Kvivew›` K‡iwQ‡jb| wZwb Aš—ixb nIqvi ci KvivMv‡ii cÖavb i¶‡Ki †g‡qi †cÖ‡g c‡ob, †g‡qi mv‡_ N›Uvi ci N›Uv Mí Ki‡Zb| g„Zy¨i c~‡e© †g‡qi Rb¨ hvRK GKwU wPiKzU wj‡L hvb| GB Rb¨ G hvRK L„÷vb mgv‡R Ô‡cÖwgK‡`i hvRKÕ wn‡m‡e L¨vwZ AR©b K‡i‡Qb| †cÖwgK‡`i hvRK f¨v‡j›UvBb 14Bs †deª“qvix gviv hvevi ci Zvi g„Zz¨ evwl©Kx cvjb Kiv nq Avi GB w`‡bi bvg ivLv nq f¨v‡j›UvBÝÕ †W K‡i ( m~Î-wg¤^v‡ii aŸwb)
D³ Av‡jvPbvi Av‡jv‡K Avgiv ej‡Z cvwi Bnv †Kvb Avgv‡`i bR¯^ ev †`kxq ms¯‹…wZ bB Ges Bmjv‡gI Zvi †Kvb wfwË †bB | KviY GUv Pvjy K‡ib L„÷ c~e© PZz_© kZ‡K gywZ© c~Rvixiv Gi ci L„÷vbiv GKUz ms¯‹vi K‡i Zv‡`i GKRb hvRK hv‡K †cÖwgK‡`i hvRK ejv nZ| Zvi bv‡g bvg KiY K‡i cvjb K‡i Ges G meB wQj Kz-ms¯‹vi I Acms¯‹…wZ |
myZivs †Kvb gymjgvb G ai‡bi †Kvb w`em cvjb Ki‡Z cv‡ibv| KviY G w`e‡mi mv‡_ Kz-ms¯‹vi RwoZ Ges GKwU †`evZvi bvg RwoZ GB w`e‡mi cÖPjb K‡i †cŠËwjKiv| Kv‡RB hvi mv‡_ GZ¸‡jv Cgvb weaŸsmx DcKiY hy³,
AZGe Gai‡bi †Kvb w`em gymjgvbiv cvjb Ki‡Z cv‡ibv| Ges Bmjv‡gI Gi †Kvb my‡hvM †bB| gnvb Avj­vn e‡jbt †Zvgiv e¨wfPv‡ii wbK‡U †hIbv| (32t17)
f¨v‡j›UvBÝÕ †W ‡hbv bq, wKš‘ ‡hbvi ¯ú‡k© Avgv‡`i‡K wb‡q hv‡e| Av‡iK Avqv‡Z gnvb Avj­vn e‡jbt †n bex, Avcbx gywgb hyeK‡`i ejyb, †Zvgv‡`i AvwLuhyMj bZ Ki, Aci hyeZx‡`i w`‡K ZvKv‡bv †_‡K weiZ nI Ges wb‡R‡`i j¾v¯’vb‡K cweÎ ivL (30: 24)
gnvb Avj­vn Av‡iv e‡jbt †n ivmyj Avcwb hyeZx‡`i e‡jb ZvivI †hb wb‡Pi w`‡K ZvwK‡q _v‡K, †Kvb hye‡Ki w`‡K †PvL bv ‡`q Ges Zv‡`i m¤£g i¶v K‡i ( 30:24)
KziAv‡bi D³ AvqvZ¸‡jvi Av‡jv‡K GK_v ¯úó nq †h, weevn c~e© bi-bvixi fvjevmv n‡”Q nvivg, A‰ea| †Kvb †Kvb †jLK, Kjvwgó, Dcb¨vwmK  G‡K cweÎ †cÖg wn‡m‡e i“c †`q| cweÎ †cÖg nj hv evevi mv‡_ mš—v‡bi †cÖg, fvB-‡ev‡bi †cÖg, ¯^vgx-¯¿xi †cÖg, gvbeZvi cÖwZ †cÖg, †Kvb bi-bvix ev †Kvb hyeK hyeZx weevn c~e© †cÖg Ki‡j †m †cÖg cweÎ n‡Z cv‡ibv| †mUv Ab¨vq, cvc| GB †cÖg‡K hviv cweÎ e‡j Zviv my‡KŠk‡j Avgv‡`i hye m¤cÖ`v‡qi Pwi‡Î AvNvZ nvb‡Q| myZivs cweÎ †cÖ‡gi bv‡g A‰ea m¤úK© Kivi †Kvb my‡hvM Bmjv‡g ‡bB| KviY Bmjvg ˆbwZKZv wemR©‡b wek¦vmx bq| fvjevmv w`em aŸsm Ki‡Q Avgv‡`i bxwZ‡eva, j¾v‡eva I kvjxbZv| hv gymwjg RvwZ wn‡m‡e Avgv‡`i Rb¨ eoB AcgvbRbK| wk¶K, AwffveK, mvsevw`K, cÖwZôvb m‡PZb mevB‡K G wel‡q AMÖYx fywgKv cvjb Ki‡Z n‡e| Ges Avgvi GB‡jLv m¤§vwbZ cvVK cvwVKv‡`i ü`‡q m‡Z¨i †iLvcvZ Ki‡e e‡j Avgvi `„p wek¦vm|
Ak­xjZvi mqjve n‡Z Avgv‡`i wcÖq gvZ…f~wg i¶v Kie| G †nvK Avgv‡`i B¯úvZ KwVb msKí|

রবিবার, ১২ জুন, ২০১১

'সাক্ষী-প্রমাণ ছাড়া শাস্তি নজিরবিহীন'

বিএনপি'র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেছেন, ভ্রাম্যমাণ আদালত সাক্ষী-প্রমাণ ছাড়া একতরফাভাবে বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের শাস্তি দিচ্ছে যা নজিরবিহীন।
রোববার বিকালে এক সংবাদ ব্রিফিঙে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর হরতালে ভ্রাম্যমাণ আদালতের শাস্তি দেওয়া প্রসঙ্গে বলেন, "হরতালে ভ্রাম্যমাণ আদালতে বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের কোনো সাক্ষী-প্রমাণ ছাড়া একতরফাভাবে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে। ১৯৫২ সালের তামাক ও মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনের ধারায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের এ ধরনের শাস্তি দেওয়া নজিরবিহীন ঘটনা।
"ঔপনিবেশিক আমলেও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য এভাবে আইনের প্রয়োগ হয়নি।"
সারাদেশে সফল ও সর্বাত্মক হরতাল চলছে দাবি করে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহালে আন্দোলন চলবে। বিএনপি ওই ব্যবস্থা ছাড়া কোনো নির্বাচনে অংশ নেবে না।
নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিকেলে এই সংবাদ ব্রিফিং হয়।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিলে সরকারের পরিকল্পনা ও সংবিধান সংশোধনসহ বিভিন্ন দাবিতে রোববার সকাল ৬টা থেকে ৩৬ ঘণ্টার জন্য একটাকা হরতাল ডেকেছে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী। শনিবার এ হরতাল কর্মসূচি ঘোষণা করে দল দুটি।

'শান্তির মিছিল, তাই বাধা দিইনি'

নারায়ণগঞ্জ, জুন ১২.... হরতাল আহ্বানকারী বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের রাজপথে নামতে না দিলেও নারায়ণগঞ্জে মিছিল করেছে সরকার সমর্থকরা। পুলিশ বলেছে, 'শান্তিমিছিল' বলেই তারা বাধা দেয়নি, যদিও ওই মিছিলের নেতৃত্বে ছিলো পুলিশেরই তালিকাভুক্ত এক সন্ত্রাসী।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের পরিকল্পনার প্রতিবাদে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর ডাকে রোববার দিনব্যাপী হরতাল চলছে।
হরতালে নারায়ণগঞ্জ শহরে বেশিরভাগ দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। তবে বঙ্গবন্ধু সড়কের উভয় পাশের বিভিন্ন মার্কেট খোলা রাখতে সরকার সমর্থকরা ব্যবসায়ীদের বাধ্য করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
হরতালে গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকলেও ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক। শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে মোতায়েন রয়েছে পুলিশ। দুপুর পর্যন্ত বড় ধরনের গোলযোগের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।
ভোর থেকেই বিপুল সংখ্যক পুলিশ শহরের বঙ্গবন্ধু সড়কের ডিআইটি বাণিজ্যিক এলাকায় জেলা বিএনপি কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেয় এবং র‌্যাব সদস্যরা টহল দিতে থাকে।
পুলিশের কঠোর অবস্থানের কারণে শহর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামাল ও কয়েকজন নেতাকর্মী ছাড়া কেউ দলীয় কার্যালয়ে ভিড়তে পারেনি। সকাল সাড়ে ৮টায় তারা কার্যালয়ের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ করে।
সকাল ১০টায় জেলা যুবলীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক, পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী জহিরুল ইসলাম ভূঁইয়া পারভেজ এবং জেলা যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদক শাহ্ নিজামের নেতৃত্বে হরতালবিরোধী মিছিল বের হয়।
মিছিলটি শহরের চাষাঢ়া হয়ে বঙ্গবন্ধু সড়ক ঘুরে। ওই সময় মিছিলকারীরা দোকান মালিকদের দোকান খোলা রাখতে চাপ দেয় বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেক দোকানি অভিযোগ করেন। এরপর কয়েকটি দোকান খোলে। মিছিলটি পরে মণ্ডলপাড়া হয়ে চাষাঢ়ায় গিয়ে মিছিলটি শেষ হয়।
বিএনপির নেতাকর্মীদের বাধা দেওয়া হলেও অন্য মিছিলে বাধা না দেওয়ার বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি আকতার হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, "সরকারদলীয় লোকজন শান্তির মিছিল করেছে। তাই তাদের বাধা দেওয়া হয়নি। বিএনপি নেতাকর্মীদের মিছিল শান্তির বিপক্ষে। তারা মিছিল করলে জনসাধারণের নিরাপত্তা বিঘিœত হবে।"
র‌্যাব ও পুলিশের ব্যাপক উপস্থিতির মধ্যে মিছিলে তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসীর অবস্থানের বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তা এড়িয়ে যান ওসি।
শহর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামাল সাংবাদিকদের বলেন, "বিএনপির কোনো নেতাকর্মীকে রাস্তায় নামতে দেয়নি পুলিশ। তাদের দলীয় কার্যালয়ে আসতেও বাধা দেওয়া হয়েছে। অথচ সন্ত্রাসীরা র‌্যাব ও পুলিশ পাহারায় মিছিল করেছে।"
শহরের মিশনপাড়া এলাকায় জেলা জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ও পুলিশ অবরুদ্ধ করে রাখায় তারা মিছিল করতে পারেনি।
হরতালের মধ্যে বাস টার্মিনাল থেকে কয়েকটি বাস ছাড়লেও যাত্রী ছিলো নগন্য। ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডে চাষাঢ়ায় এরিবস ইন্ট্যারন্যাশনাল স্কুলের সামনে পিকেটাররা রাস্তায় আগুন ধরিয়ে অবরোধ করলে পুলিশ তাদের হটিয়ে দেয়।

শনিবার, ১১ জুন, ২০১১

৪৪ জনকে গ্রেপ্তার ও কারাদণ্ড

বিএনপি ও জামায়াতের ডাকা ৩৬ ঘণ্টা হরতালের আগের দিন রাজধানীতে গ্রেপ্তার ৪৪ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

শনিবার সকাল থেকে বিকেলের মধ্যে রাজধানীর রমনা, তেজগাঁও, শাহবাগ, মোহাম্মদপুর ও মিরপুর থানা এলাকায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে তাদের সাজা দেওয়া হয়।

বিএনপির ডাকা হরতালগুলোর ক্ষেত্রে আগের দিন গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটলেও ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কারাদণ্ডের ঘটনা ঘটেনি।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিলে সরকারের পরিকল্পনাসহ বিভিন্ন দাবিতে রোববার থেকে ৩৬ ঘণ্টার জন্য সারা দেশে হরতাল ডেকেছে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামি।

পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মাসুদুর রহমান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, রমনা থানা এলাকায় গ্রেপ্তার ১০ জনকে তিন মাসের, তেজগাঁও থানায় গ্রেপ্তার হওয়া পাঁচজনকে এক মাস, শাহবাগ থানায় গ্রেপ্তার হওয়া একজনকে একমাস, মোহাম্মদপুর থানায় গ্রেপ্তার হওয়া ১০ জনকে দুইমাস, আদাবর থানায় ১৩ জনকে, শেরে বাংলা নগর থানায় দুজনকে, সবুজবাগ থানায় একজনকে এবং মিরপুর থানায় গ্রেপ্তার হওয়া দুজনকে একমাস করে কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

রায় দেওয়ার পরপরই তাদের কারাগারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট শাকিল আহমেদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

রমনা থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, সকার সাড়ে ৮টার দিকে শান্তিনগর থেকে একটি মিছিল বের করে গাড়ি ভাংচুর এবং পুলিশের ওপর হামলা চালালে তাদের বাধা দেওয়া হয়। এ সময় তারা বাধা উপেক্ষা করলে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ১০জন জামাত-শিবির কর্মী বলে ওসি দাবি করেছেন।

তেজগাঁও থানার ওসি মাহবুবুর রহমান জানান, হরতালকে কেন্দ্র করে পিকেটিং করতে পারে অভিযোগে কারওয়ান বাজার এলাকা থেকে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

"এদেরকে ভ্রাম্যমাণ আদালত এক মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে।"

মোহাম্মদপুর জোনের সহকারি পুলিশ কমিশনার বিপ্লব কুমার পাল বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, মোহাম্মদপুরে ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের প্রত্যেককে দুইমাস করে কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

মিরপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মেজিস্ট্রেট রহিমা খাতুন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, মিরপুর থানায় গ্রেপ্তার হওয়া দুইজনকে একমাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এলএইচ/কেটি/পিডি/২২১৫ ঘ.